পরীমনিকে নির্যাতন: নাসির ইউ আহমদ মদ-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

নায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টর অভিযোগের মূল অভিযুক্ত আবাসন ব্যবসায়ি নাসির ইউ আহমদকে সোমরার ১৪ জুন বেলা পৌনে তিনটায় উত্তরার বাসা থেকে বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সাভার থানা পুলিশের অনুরোধে গোয়েন্দা পুলিশ নাসির ইউ আহমদের বাসা থেকে বিপুল পরিমান বিদেশী মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার সাভার থানায় মামলাটি করেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।

নাসিরের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুনুর রশীদ। তিনি জানান, গত কালকে বিচার চেয়ে পরীমনির কান্নাজড়িত আবেদনের পর থেকেই পুলিশ তার ওপর নজর রাখছিল। আজ সাভার থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর সাভার পুলিশের অনুরোধে ডিবি তাকে গ্রেপ্তার করে।

জানা গেছে, গ্রেফতার নাসির ইউ মাহমুদ ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য (বিনোদন ও সংস্কৃতি)।

ঢাকা বোট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাসির একজন আবাসন ব্যবসায়ী। উত্তরা ক্লাবেরও সাবেক সভাপতি তিনি।

রোববার রাতে পরীমনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার’ অভিযোগ তুললে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। 

প্রতিকার চেয়ে তিনি বনানী থানায় গিয়ে কোনো সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন। ফেসবুক পোস্টে বিচার চেয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহায্য কামনা করেন।

এরপর গতরাতে তিনি তার বনানীর বাসায় এক সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

নায়িকার অভিযোগ, গত বুধবার রাতে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি ও জিমির বন্ধু অমিসহ তারা উত্তরায় বোট ক্লাবে গিয়েছিলেন। ক্লাবটা তখন বন্ধ হয় হয়।

দুজন বয়স্ক ব্যক্তি এসে তাদের মদপানের আমন্ত্রণ জানায়, যাদের একজন নাসির মাহমুদ বলে পরীমনির ভাষ্য। তবে শরীর খারাপ বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন পরীমনি।

তিনি বলেন, জোরাজুরির এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে কিছু লোক। এক পর্যায়ে নাসির মাহমুদ তার মুখে মদের বোতল ঠেসে ধরে গিলতে বাধ্য করেন। তখন তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। 

বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্য ওই ব্যবসায়ী তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলে অভিযোগ করেন পরীমনি।