বায়ার্নকে হারিয়ে সেমির স্বপ্নে বিভোর পিএসজি

প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমের ফাইনালে পিএসজিকে হারিয়ে শিরোপা উৎসব করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। হৃদয় ভেঙেছিল নেইমার-এমবাপেদের। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে এবার ওই হারের শোধটা কিছুটা তুলল পিএসজি।

বুধবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্নের মাঠে ৩-২ গোলে জিতেছে ফরাসি জায়ান্টরা। ফিরতি লেগে হার এড়াতে পারলেই কিংবা ১-০ গোলে হারলেও সেমির খেলা নিশ্চিত হবে নেইমারদের।

আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় পিএসজির নেতৃত্ব দিলেন এমবাপে ও নেইমার। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে বার্সেলোনার মাঠে হ্যাটট্রিক করে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন এমবাপে। এবার করলেন জোড়া গোল। দুটি গোলে অবদান রাখলেন নেইমার।

তিন মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি (১-০)। ডি-বক্সের মুখে ডিফেন্ডারদের ঘিরে থাকা অবস্থায় ডান দিকে বল বাড়ান নেইমার। জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপে।
ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলেও দারুণ অবদান আছে নেইমারের। ২৮ মিনিটে তার উঁচু করে বাড়ানো বল বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস (২-০)।

৩৭ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বায়ার্ন। জোরালো হেডে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এরিক ম্যাক্সিম চুপো মটিং (২-১)। গত অক্টোবরে পিএসজি থেকে বায়ার্নে যোগ দেন ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ড।
৬০ মিনিটে জশুয়া কিমিচের ফ্রি কিকে চোখের পলকে এগিয়ে গিয়ে লাফিয়ে হেডে স্কোরলাইন ২-২ করেন বায়ার্নের তারকা ফরোয়ার্ড থমাস মুলার। এই সমতা অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। ৬৮ মিনিটে আবারো দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে (৩-২)।

শেষ ১০ মিনিটে প্রচণ্ড চাপ বাড়ায় বায়ার্ন। দুই মিনিটের ব্যবধানে দারুণ দুটি সুযোগও পায় তারা; কিন্তু সমতায় ফেরা আর হয়নি তাদের। রোমাঞ্চকর এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
আগামী মঙ্গলবার ফিরতি পর্বের ম্যাচ। সেমিতে যেতে হলে পিএসজির মাঠে কমপক্ষে দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হবে বায়ার্নের।